প্রতিটি গেমের নিজস্ব ড্র শিডিউল ও পুরস্কার কাঠামো রয়েছে
প্রতি সপ্তাহে একবার ড্র হয়। ৬টি নম্বর বেছে নিন, সবগুলো মিললেই জ্যাকপট। bajili-র সবচেয়ে বড় পুরস্কারের লটারি।
প্রতিদিন রাত ১০টায় ড্র। ৩টি নম্বর বেছে নিন। bajili-তে প্রতিদিন জেতার সুযোগ পেতে চাইলে এটিই সেরা পছন্দ।
কোনো অপেক্ষা নেই, কার্ড কিনুন আর সাথে সাথেই জানুন ফলাফল। bajili-র ইন্সট্যান্ট লটারি সবচেয়ে দ্রুত ফলাফল দেয়।
প্রতি ৩ মিনিটে একটি নতুন ড্র। যখন খুশি খেলুন, যখন খুশি জিতুন। bajili-র সবচেয়ে ঘন ঘন পুরস্কার দেওয়া লটারি।
কুমিল্লার রাহেলা বেগম বলছিলেন, "আগে ভাবতাম লটারি শুধু ভাগ্যবানদের জন্য। কিন্তু bajili-তে আসার পর বুঝলাম, এখানে প্রতিটি মানুষের জন্যই কিছু না কিছু আছে।" তাঁর মতো হাজারো মানুষ প্রতিদিন bajili-র লটারি বিভাগে আসেন একটু আনন্দের আশায়।
বাংলাদেশে লটারির ঐতিহ্য অনেক পুরনো। মেলায় লটারির টিকিট কাটা, পাড়ার দোকানে ভাগ্য পরীক্ষা — এই স্মৃতি আমাদের সকলের আছে। bajili সেই চেনা আনন্দকেই ডিজিটাল রূপ দিয়েছে। এখন ঘরে বসে, মোবাইলে, যেকোনো সময় টিকিট কেটে ড্রর ফলাফল দেখার সুযোগ পাওয়া যায়।
bajili-র লটারি বিভাগে এসে সবার আগে চোখে পড়ে বৈচিত্র্য। শুধু একটি বা দুটি লটারি নয়, এখানে রয়েছে পঞ্চাশটিরও বেশি ভিন্ন ধরনের গেম। কেউ চান বড় জ্যাকপটের স্বপ্ন দেখতে, কেউ চান প্রতিদিন ছোট ছোট পুরস্কার পেতে — সবার জন্যই bajili-তে আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে।
"bajili-তে প্রথমবার স্ক্র্যাচ কার্ড কিনেছিলাম মাত্র ৳১০ দিয়ে। সাথে সাথেই ৳৫০০ জিতলাম! ছোট হলেও মনে অনেক আনন্দ হয়েছিল।"
— শাহিনুর রহমান, কুমিল্লা
bajili-র তিনটি প্রধান লটারির সাম্প্রতিক ড্র নম্বর
মেগা জ্যাকপট লটারিতে কোন স্তরে কত পুরস্কার
ময়মনসিংহের রিয়াজ মিয়া গত ঈদুল আযহায় bajili-র ঈদ স্পেশাল লটারিতে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, "ঈদের দিন সকালে ড্র ফলাফল দেখে মনে হলো ঈদের আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে গেছে। বোনাস পুরস্কার পেয়েছিলাম, সেটা দিয়ে বাচ্চাদের নতুন জামা কিনলাম।"
bajili প্রতিটি বড় বাংলাদেশি উৎসবে বিশেষ লটারি প্যাকেজ চালু করে। ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা, পহেলা বৈশাখ এবং বিজয় দিবসে পুরস্কারের পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। টিকিটের দাম একই থাকে, কিন্তু জেতার পরিমাণ অনেক বেশি।
প্রতি ঈদে bajili-র বিশেষ মেগা ড্রতে জ্যাকপট দ্বিগুণ থাকে। গত ঈদে বিজয়ী পেয়েছিলেন ৳১ কোটিরও বেশি।
বছরের প্রথম দিনে bajili-র পহেলা বৈশাখ লটারিতে টিকিট প্রতি বাড়তি পুরস্কারের সুযোগ থাকে।
১৬ ডিসেম্বর উপলক্ষে bajili প্রতিবছর একটি বিশেষ লটারি পরিচালনা করে যেখানে পুরস্কার থাকে অনন্য।
ঢাকার নাইট মার্কেটে কাজ করেন সালমা আক্তার। রাতে দোকান বন্ধের পর মোবাইলে bajili খুলে লটারি টিকিট কাটেন তিনি। বলছিলেন, "একটু বুঝে নিলে খুবই সহজ। প্রথমদিকে একটু ঘাবড়েছিলাম, এখন ঘুমানোর আগে রুটিনমতো ড্র দেখি।"
bajili-তে নিবন্ধন করুন। মাত্র কয়েক মিনিটে অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে।
bKash, Nagad বা রকেটের মাধ্যমে সহজেই bajili ওয়ালেটে ব্যালেন্স যোগ করুন।
পছন্দের লটারি গেম বেছে নিন। নম্বর সিলেক্ট করুন বা র্যান্ডম পিক ব্যবহার করুন।
ড্রর সময় bajili অ্যাপে নোটিফিকেশন পাবেন। জিতলে পুরস্কার সাথে সাথেই ওয়ালেটে আসবে।
bajili-র সব লটারির টিকিট মূল্য, ড্র সময় ও সর্বোচ্চ পুরস্কার
| লটারির নাম | ধরন | টিকিট মূল্য | ড্র সময় | সর্বোচ্চ পুরস্কার |
|---|---|---|---|---|
| মেগা জ্যাকপট | সাপ্তাহিক | ৳৫০ | প্রতি শনিবার রাত ৯টা | ৳৫০ লাখ |
| ডেইলি পিক | দৈনিক | ৳২০ | প্রতিদিন রাত ১০টা | ৳২ লাখ |
| কুইক লটারি | ৩ মিনিট | ৳১০ | প্রতি ৩ মিনিট | ৳৫০,০০০ |
| স্ক্র্যাচ কার্ড | ইন্সট্যান্ট | ৳১০ | তাৎক্ষণিক | ৳১০ লাখ |
| ঈদ মেগা ড্র | উৎসব | ৳৫০ | ঈদের দিন সকাল ১১টা | ৳১ কোটি |
| পহেলা বৈশাখ স্পেশাল | উৎসব | ৳৩০ | ১ বৈশাখ দুপুর ১২টা | ৳২০ লাখ |
| মিনি লটো | ঘণ্টাভিত্তিক | ৳৫ | প্রতি ঘণ্টায় | ৳১০,০০০ |
* পুরস্কারের পরিমাণ পরিবর্তনশীল। সর্বশেষ তথ্যের জন্য bajili-তে লগইন করুন।
bajili-র লটারি অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস উভয় ডিভাইসে নির্বিঘ্নে কাজ করে। ধীর নেটেও সমস্যা হয় না।
bajili-র প্রতিটি ড্র সার্টিফাইড র্যান্ডম নম্বর জেনারেটর দিয়ে পরিচালিত হয়। ফলাফলে কোনো কারসাজি নেই।
ড্র শেষ হওয়ার সাথে সাথেই পুরস্কার ওয়ালেটে জমা হয়। bajili থেকে bKash বা Nagad-এ তুলতে মাত্র কয়েক মিনিট।
বন্ধু বা পরিবারের সাথে মিলে সিন্ডিকেট টিকিট কিনুন। bajili-তে গ্রুপ লটারি ফিচার ব্যবহার করে বড় টিকিটে অংশ নিন কম খরচে।
যেকোনো সমস্যায় bajili-র বাংলাভাষী কাস্টমার সাপোর্ট টিম সার্বক্ষণিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত।
bajili-তে অ্যাকাউন্ট খুলুন এবং প্রথম টিকিটে ৫০% ছাড় পান। রাত ১০টার ডেইলি পিক ড্র শুরু হওয়ার আগেই টিকিট কাটুন।
bajili লটারি সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জিজ েস প্রশ্নের উত্তর
বাংলাদেশের প্রতিটি কোণে মানুষ স্বপ্ন দেখেন। সেই স্বপ্নের একটুখানি সম্ভাবনা নিয়ে বেঁচে থাকার আনন্দই লটারির আসল আকর্ষণ। bajili সেই আকর্ষণকে আরও সহজলভ্য, আরও নিরাপদ এবং আরও আনন্দময় করে তুলেছে।
ঢাকার ব্যস্ত গলি থেকে শুরু করে সুনামগঞ্জের হাওরপাড় — bajili-র লটারি সারাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছে গেছে। কারণ এখানে ইন্টারনেট আর একটি মোবাইল ফোন ছাড়া আর কিছু দরকার হয় না।
তবে মনে রাখতে হবে, লটারি সবসময়ই একটি বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে খেলা উচিত। bajili সবসময় দায়িত্বশীল গেমিংয়ে বিশ্বাস করে। বাজেটের মধ্যে থেকে খেলুন, পরিবারকে সময় দিন এবং সুস্থ মনে আনন্দ উপভোগ করুন।
আজই bajili-র লটারি বিভাগে আসুন। প্রথম টিকিট কাটুন, রাত ১০টার ড্রতে অংশ নিন এবং নিজেই বুঝুন কেন লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি প্রতিদিন bajili বেছে নেন।